কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়
বর্তমান সময়ের শহরে ও গ্রাম গঞ্জের প্রায় সবার কাছেই স্মার্টফোন বা কম্পিউটার রয়েছে। তাই বর্তমানে ঘরে বসে কাজ করা ব্যাপারটা সবাই জানে। তাই ঘরে বসে খুব সহজেই টাকা আয় করা সম্ভব।
পেইজের সূচিপত্রঃ কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়
- কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়
- ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করা
- ব্লগিং করে আয় করা
- গুগল এডসেন্স থেকে আয় করা
- ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট এর মাধ্যমে আয়
- এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করা
- সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে আয়
- ইউটিউব থেকে আয় করা
- কনটেন্ট বা আর্টিকেল লিখে আয় করা
- গ্রাফিক্স ডিজাইন করে আয় করা
- ওয়েব সাইটের মাধ্যমে আয় করা
- ইন্সুরেন্স পিওএসপি হয়ে আয় করা
- ডাটা এন্ট্রির কাজ করে আয় করা
- শেষ কথা
কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়
ফ্রি টাকা ইনকাম করা বর্তমানে স্বপ্ন নয় বাস্তবেই সম্ভব। আপনার দরকার শুধু একটি স্মার্টফোন বা কম্পিউটার এবং দক্ষতা অর্জনের সাথে সঠিক পথ বেছে নিয়ে কাজ করা। তাই দেরি না করে আপনি আপনার পছন্দের যে কোন বিষয় নিয়ে কাজ শুরু করে দিন। খুব সহজেই ঘরে বসে ইনকাম আপনার হবেই হবে।
আপনাকে শুধু কিছু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। যেমন অনলাইনে প্রতারক চক্রের অভাব নাই। তাই আপনার উচিত হবে যে কোন ওয়েব সাইটে কাজ করার আগে। সেই ওয়েব সাইট সম্পর্কে ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া। কেননা অনেক ওয়েব সাইট আছে যারা বলবে আপন অল্প সময়ে ধনী হতে পারবেন। সেই সব প্রতারক চক্রের ফাঁদে পা দিবেন না। সেই সব প্রতারক চক্রের হাত থেকে অবশ্যই আপনাকে সাবধান থাকতে হবে।
ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করা
ঘরে বসে অনলাইনে টাকা ইনকাম করার সবচেয়ে সহজ উপায় হল ফ্রিল্যান্সিং। ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য আপনাকে কোন প্রকার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে না। ঘরে বসে কোন ধরনের কাজ বা সার্ভিস প্রদান করা যায় তা আপনাকে জানতে হবে। জানতে হবে কোথায় সার্ভিস প্রদান করতে হবে। তাই দেরি না করে ঘরে বসে এখনি ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শুরু করে দিন।
বর্তমানে পিপলস পার আওয়ার, ফ্রিল্যান্সার ডট ফাইভার, আপওয়ার্ক ইত্যাদি মার্কেট প্লেসে কাজ করার অ্যাপস রয়েছে। আপনাকে প্রথমে ফ্রিল্যান্সার হিসাবে কী পোর্টালে রেজিস্টার করতে হবে। আপনার দক্ষতা গুলি ক্লায়েন্টের বা বায়ারদের কে, কিছু কাজের নমুনা দিয়ে মার্কেটিং করতে হবে। যে সব বায়াররা আপনার কাজ দেখে কাজের অনুমোতি দেবে তখন থেকেই আপনার ইনকাম শুরু হয়ে যাবে।
আরও পড়ুনঃ ফ্রি টাকা ইনকাম করার আরও কিছু উপায়।
যদি আপনি প্রোগ্রামিং, ডিজাইনিং, লেখালেখি, এডিটিং বা অন্য যেকোন বিষয়ের উপর দক্ষতা ভালো থাকে। তবে আপনি একজন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে অনলাইনে ঘরে বসেই ফ্রি টাকা ইনকাম করতে পারবেন সহজেই। আপনি কি ধরনের কাজের অফার করছেন। সে কাজের উপর নির্ভর করে আপনি খুব সহজেই ভালো বা উচ্চ দাম প্রদানকারী ক্লায়েন্ট বা বায়ার খোঁজে পেতে পারেন। তার সাথে কন্টাক্ট করে ঘরে বসেই কাজ করা যাবে এবং পেমেন্ট বিভিন্ন অনলাইন এবং ব্যাংকের মাধ্যমে আনতে পারবেন।
ব্লগিং করে আয় করা
ফ্রি টাকা ইনকাম করার আরেকটি জনপ্রিয় অনলাইন মাধ্যম হলো ব্লগিং। প্রথমত আপনাকে ব্লগ সাইট তৈরি করতে হবে। অনেক ফ্রী ব্লগ সাইট রয়েছে যাতে আপনি আপনার ব্লগ সাইট তৈরি বা চালু করতে পারবেন। প্রধানত ব্লগে লেখালেখি বা আর্টিকেল লিখে পরিচিত পাবার জন্য আপনাকে অনলাইনে সেই লেখা পাবলিশ করতে হবে।
আপনার ব্লগের যখন ভিউয়ার বা বেশি লোক ব্লগার সাইটটি ভিজিট করবে। আপনাকে তখন গুগল এডসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। গুগলের অ্যাপ্রুভাল হলে গেলে। গুগলের দেওয়া বিজ্ঞাপন বা এডসেন্স থেকে আপনি টাকা আয় করতে পারবেন। আপনার ব্লগের কনটেন্ট বা আর্টিকেল যত বেশি জনপ্রিয় হবে। আপনি তত বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
আপনার ব্লগের জনপ্রিয়তা ধরে রাখার জন্য বর্তমানে গুগলে যেসব কনটেন্ট বেশি লোক চার্জ করে। সেই সব কন্টেন্ট লিখে সব সময় জনপ্রিয়তা ধরে রাখা যাবে। ধরা যাক ভ্রমণ সম্পর্কে কোন নির্দিষ্ট পোস্ট আপলোড করে থাকলে এডসেন্স হয়তো আপনাকে ভ্রমণ সম্পর্কে বীমা, উষ্ণ, আইসল্যান্ড, পোশাক বা চোখের গ্লাস ইত্যাদি বিষয়ে বিজ্ঞাপন দেখাবে গুগল এডসেন্স থেকে এবং ঐ সব বিজ্ঞাপন দেখার মাধ্যমে আপনাকে পেমেন্ট করবে।
গুগল এডসেন্স থেকে আয় করা
ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে টাকা ইনকামের আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে গুগল এডসেন্স। আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগারের নির্ধারিত স্থানে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টাকা আয় করা যায়। আপনার অটিকেলে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেখানো হবে। গুগলের ঐ এডসেন্সের মাধ্যমে টাকা আয় হবে। আপনার ভিউয়ার যত বেশি হবে তত ইনকাম বাড়বে।
আপনার ওয়েবসাইটের ব্যবহারকারীরা যত বেশি ভিজিট করবে এবং বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে গুগল এডসেন্স এর মাধ্যমে টাকা আপনা আপনি আপনার একাউন্টে আসবে। আপনার ওয়েবসাইটের ভিউয়ার যত বেশি বাড়াতে পারবেন। আপনি পৃথিবীর যেকোন দেশেই বা প্রান্তে থাকেন না কেন গুগল অ্যাডসেন্স থেকে তত বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট এর মাধ্যমে আয়
বর্তমান সময়ে ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট এর চাকুরি করে ঘরে বসেই আপনি ইনকাম করতে পারেন। ঘরে বসে আপনি পৃথিবীর যেকোনো দেশের কোম্পানির ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট এর চাকুরি করতে পারবেন। ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট এর মাধ্যমে আপনাকে দেওয়া কাজ খুব সহজে ঘরে বসে করা যাবে। বর্তমানে এই চাকরির প্রচুর পরিমাণে চাহিদা রয়েছে।
আপনার কাজের দক্ষতা অনুযায়ী আয় বৃদ্ধি করতে পারা যায়। বর্তমানে ভার্চুয়াল এসিস্ট্যান্ট, ফ্রিল্যান্সিং এর মতই কাজে পরিণত হয়েছে। মার্কেটপ্লেসে বর্তমানে বায়াররা ভার্চুয়াল এসিস্টেন্ট খুঁজেন তাদের সাহায্যকারী হিসাবে। যাতে তাদের দিয়ে অনলাইনে অফিসের বিভিন্ন রকম কাজের সহায়তা কারি হিসাবে। যেমন লোগো ডিজাইন করা, টাইপিং করা, ফাইল চেক করা, ওয়েবসাইটে পোস্ট করা ইত্যাদি। আর এই সব কাজ ঘরে বসেই সহজে করা যায়।
এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করা
এফিলিয়েট মার্কেটিং বলতে বুঝায়। আপনার ওয়েবসাইটে আরেকজনের প্রোডাক্ট প্রচার করে তা বিক্রি করা। সেই প্রোডাক্ট যে দামে বিক্রি করা হয়। সেই দামের উপর থেকে নির্ধারিত পারসেন্টেজে কমিশন পাওয়া যায়। আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যত বেশি প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারবেন তত বেশি কমিশন হিসাবে টাকা আয় করতে পারবেন।
আপনি যেসব প্রোডাক্ট বিক্রি করবেন। সেসব প্রোডাক্ট এর কোয়ালিটি বজায় রাখতে হবে। মানসম্মত প্রোডাক্ট না হলে আপনার ওয়েবসাইটে সুখেতি বজায় থাকবে না। তাই অবশ্যই আপনার এফিলিয়েট পার্টনার নেওয়ার জন্য কোয়ালিটি বিষয়টি মনে রাখতে হবে। সে ক্ষেত্রে প্রোডাক্ট এর মান বা কোয়ালিটি অব্যশই বজায় রাখতে হবে। বিক্রি প্রোডাক্ট থেকে খুব সহজেই টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে আয় করা
বর্তমানে ঘরে বসে ফ্রি ইনকাম করার জন্য আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম হলো সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর মাধ্যমে খুব সহজেই ইনকাম করতে পারবেন। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলতে বুঝায়। যেমন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, প্রিন্টরেস্ট, টুইটার, ইত্যাদি। আর এইসব মাধ্যম ব্যবহার করে খুব সহজেই ফ্রি ইনকাম করা যায়।
আরও পড়ুনঃ শুধু অ্যাড দেখে ফ্রি টাকা ইনকাম করার উপায়
এইসব সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে নানা ভাবে মার্কেটিং করা যায়। এসব সোশ্যাল মিডিয়ায় যদি আপনার পেজের ফলোয়ার সংখ্যা বেশি হয়। তবে যে কোন কোম্পানির তৈরি পণ্য বা নিজের ঘরে তৈরি পণ্য প্রচারণার মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা যায় খুব সহজেই। বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং হল ফেসবুক। আপনি চাইলে শুধু ফেসবুক মার্কেটিং করে অনলাইনে ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
ইউটিউব থেকে আয় করা
বর্তমান সময়ে ফ্রি আয় করার আরেকটি মাধ্যম হলো ইউটিউব। ইউটিউবে চ্যানেল খোলার পর ভিডিও তৈরি করে আপলোড দিতে হবে। আপনার ভিডিও গুলো যত বেশি ভিউ হবে তত বেশি ভিউ আওয়ার্স বাড়বে এবং এর সাথে চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার প্রয়োজন হবে নির্দিষ্ট সংখ্যক। অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, মানসম্মত ভিডিও তৈরি করে আপলোড দিতে হবে।
বর্তমান সময়ের কি ধরনের ভিডিও মানুষ বেশি সার্চ করে। সেই ধরনের ভিডিও আপনাকে বেছে নিতে হবে। তাই আগে থেকেই ভিডিও এর টপিক ঠিক করে নিয়ে সেই হিসাবে ভিডিও তৈরি করতে হবে। ভিডিওটির ভিউয়ার বা ফলোয়ার এবং বিজ্ঞাপন থেকে খুব সহজে ফ্রি টাকা ইনকাম করতে পারবেন ঘরে বসেই।।
কনটেন্ট বা আর্টিকেল লিখে আয় করা
বর্তমান সময়ে অনলাইনে প্রচুর পরিমাণে কনটেন্ট বা আর্টিকেল রাইটারের চাহিদা রয়েছে। অনলাইনে যারা ইনকাম করে তারা ওয়েবসাইটের নানা বিষয়ের উপর কনটেন্ট বানিয়ে থাকে। আর এই কনটেন্ট এর মাধ্যমে আয় করে থাকে। আপনিও কনটেন্ট বানিয়ে খুব সহজেই ইনকাম করতে পারবেন। তাই কনটেন্ট লেখার উপর ভালভাবে দক্ষতা অর্জন করতে পারলে ভাল হয়।
আপনার কনটেন্ট লেখার মান অনুযায়ী কনটেন্ট এর দাম নির্ধারণ করতে পারবেন। তাই সবসময় ভালো মানের কনটেন্ট লিখতে হবে এবং এই কনটেন্ট এর মাধ্যমে অনলাইন থেকে ভালো আয় করতে পারবেন। যেসব বিষয় নিয়ে বর্তমানে অনলাইনে বেশি সার্চ করে। সেই সব নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর দক্ষ হতে হবে। ইউনিক ও মানসম্মত আর্টিকেল লিখতে হবে। নিয়মিত লেখার অভ্যাস রাখতে হবে এবং নতুন নতুন বিষয়ের উপর লিখতে হবে।
গ্রাফিক্স ডিজাইন করে আয় করা
অনলাইনে ফ্রি টাকা ইনকাম করার আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম হলো গ্রাফিক্স ডিজাইন করে আয় করা। ভালোভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে মার্কেটপ্লেস থেকে সহজেই টাকা ইনকাম করা যায়। মার্কেটপ্লেসে আপনার ডিজাইন বিক্রি করে ঘরে বসে খুব সহজেই টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
ওয়েব সাইটের মাধ্যমে আয় করা
ওয়েব সাইটের মাধ্যমে ফ্রি টাকা ইনকামের জন্য প্রথমে আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকতে হবে। আপনি একদম নতুন হলে অনলাইনে কিভাবে ওয়েবসাইট খুলতে হয়। তা দেখে নিজেই একা একটা ওয়েবসাইট খুলতে পারবেন অথবা অনেক ভালো ভালো আইটি ফার্ম আছে তাদের সাহায্য নিয়ে ওয়েবসাইট খুলতে পারবেন।
ওয়েবসাইট খোলা হলে বিভিন্ন টপিকের উপর আর্টিকেল লিখে পাবলিশ করতে হবে। এইভাবে আর্টিকেল পাবলিশ করার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়বে। তারপর গুগল এডসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। গুগলে আপনার বিজ্ঞাপনের এপ্রুভ হওয়ার পরে আপনার ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন দেখানো হবে। এই বিজ্ঞাপন থেকে খুব সহজেই টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
ইন্সুরেন্স পিওএসপি হয়ে আয় করা
কোন প্রকারের বিনিয়োগ ছাড়া একজন ইন্সুরেন্সের পিওএসপি (পয়েন্ট অফ সেল পার্সন) হয়ে খুব সহজে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। একজন ইন্সুরেন্স পিওএসপি হতে হলে আপনাকে অবশ্যই ১৮ বছর বয়স হতে হবে এবং আইআরডিএআই এর অনুমোদিত 15 থেকে 20 ঘন্টা প্রশিক্ষণ নিতে হবে। প্রশিক্ষণ এর পর পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে হবে।
আরও পড়ুনঃ শুধু গেম খেলে কিভাবে টাকা ইনকাম করবেন
এরপর আপনাকে বিভিন্ন বীমা পলিসি বিক্রি করার জন্য অনুমতি দেবে। যা আপনাকে একটি বীমা কোম্পানির মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হবে। আপনি একজন ইন্সুরেন্স এর পিওএসপি হিসাবে যে ইন্সুরেন্সের সামগ্রী বিক্রি করবেন ঐ ইন্সুরেন্স কোম্পানির সাথে আপনাকে যুক্ত থাকিতে হইবে। আপনি একজন ইন্সুরেন্স পিওএসপি এজেন্ট হয়ে গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় চাহিদা অনুযায়ী পলিসি বেছে নিতে সাহায্য করতে পারবেন। যেমন জীবন, স্বাস্থ্য,গাড়ি ইত্যাদি। বীমা পলিসি গ্রাহকের কাছে বিক্রি করে খুব সহজেই ইনকাম করতে পারবেন।
ডাটা এন্ট্রির কাজ করে আয় করা
কোন প্রকারের বিনিয়োগ না করে ফ্রি টাকা ইনকাম করার আরেকটি সহজ কাজ হল ডাটা এন্ট্রির কাজ। এই কাজের জন্য আপনার একটি কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট থাকলেই চলবে। বর্তমানে সাধারণ শিক্ষার্থীরা যারা লেখা পড়ার পাশাপাশি পার্ট টাইম জব খুজছেন। তাদের জন্য সবচেয়ে ভালো অপশন হল ডাটা এন্ট্রির কাজ করা।
এই কাজের জন্য আপনাকে কম্পিউটারের ব্যবহার এবং টাইপিং এর কাজ জানতে হবে। টাইপিং এর উপর যে যত বেশী দক্ষ হবে সে তত বেশি ইনকাম করতে পারবে। তাই টাইপিং এ দক্ষ হতে হবে। নিয়মিত টাইপিং এর কাজ করলে আপনি দক্ষ হয়ে যাবেন। তথ্য প্রযুক্তির এই যুগের সবাই এখন সমস্ত ডাটা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করে রাখে। ডাটা এন্ট্রি অপারেটর এর কাজ হল। যেমন ডাটা ইনপুট করা, ডাটার ভুল সংশোধন করা, ডাটা ফরমেটিং করা ইত্যাদি এবং ডাটা গুলোকে একটি নির্দিষ্ট ডাটা বেজে সংরক্ষণ করে রাখা। এই কাজে যে যত দক্ষতা দেখাতে পারবে তার ইনকাম তত বেশি হবে।
শেষ কথাঃ কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়
কি ভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় তার সহজ প্ল্যাটফর্ম গুলো হলো- যেমন ফ্রিল্যান্সিং, লেখালেখি বা আর্টিকেল, ডিজাইন, ট্রান্সলেশন, ব্লগিং, ইউটিউব চ্যানেল, অনলাইন টিউটোরিয়াল, এফিলিয়েট মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া, ডিজিটাল মার্কেটিং, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট এইসব প্ল্যাটফর্ম এ কাজ করে দক্ষতা অনুযায়ী ইনকাম করা যায়। এছাড়া নিজের তৈরি পণ্য বিক্রি করে, অনলাইনে কোর্স, অনলাইনে সার্ভে, ভিডিও বানিযে, অনলাইনে স্টোর খুলে পণ্য বিক্রি করা ইত্যাদি।
যে সমস্ত ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য, রেজিস্ট্রেশন ফি চায় কিংবা আপনার ব্যক্তিগত তথ্য চায়। সে সমস্ত ওয়েবসাইট থেকে সতর্ক থাকুন। নকল ওয়েবসাইট এবং কোম্পানিগুলো এড়িয়ে চলুন। যেকোনো ওয়েবসাইট বা কোম্পানির সাথে চুক্তি করার আগে ঐ কোম্পানির সম্পর্কে ভালভাবে যাচাই করে নিন। অল্প সময়ে ধনী হয়ে যাওয়া প্রতারক চক্রের ফাঁদে পা দিবেন না। আপনার যে কাজের উপর আগ্রহ আছে সেই কাজে দক্ষতা অর্জন করুন। আপনি যদি নিয়মিত চর্চা করেন তাহলে অল্প সময়ে ফ্রি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।



সুপারমাষ্টার আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url