পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম
পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম। আমরা বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে, যাদের বয়স ১৮ বৎসর। অবশ্যই তার ভোটার আইডি কার্ড থাকতে হবে। কারণ ভোটার আইডি কার্ড বাংলাদেশের নাগরিকের পরিচয় নিশ্চিত করে।
অনেকেই জানতে চান পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয় পত্র চেক করার নিয়ম সম্পর্কে। বিশেষ করে যারা অনেক আগে ভোটার হয়েছেন কিন্তু এখনো আইডি কার্ড পাননি বা পুরাতন তথ্য যানতে চান। নিম্নে তা আলোচনা করা হল।
পেইজে সূচিপত্রঃ পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম
- পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম
- পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড কি
- কেন ভোটার আইডি কার্ড চেক করা প্রয়োজন
- পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড চেক করার প্রধান তিনটি উপায়
- যদি এনআইডি নম্বর না থাকে তাহলে কিভাবে চেক করবেন
- স্মার্ট কার্ড হয়েছে কিনা চেক করার উপায়
- এনআইডি কার্ড সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
- পুরাতন কার্ড থেকে স্মার্ট কার্ডে আপডেট কিভাবে করবেন
- এনআইডি কার্ডের কিছু সমস্যা ও তার সমাধান
- শেষ কথা
পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম
পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়মঃ ভোটার আইডি কার্ড যাচাই করা আমাদের প্রত্যেকটা নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য। কারণ আমরা যখন ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করার জন্য যেসব তথ্য দিয়ে থাকি। অনেক সময় টাইপিং করার সময় তারা ভুল তথ্য টাইপ হয়ে যায়। যখন আমরা কার্ডটি হাতে পাই তখন দেখা যায় কার্ডটিতে অনেক ভুল তথ্য থাকে।
আরও পড়ুনঃ ভোটার আইডি কার্ড যাচাই করা
যেমন নিজের নাম বা বাবার মায়ের নাম, ঠিকানাতে কিছু না কিছু ভুল থেকে যায়। তাই কার্ডটি প্রিন্ট করার আগে অবশ্যই ভোটার আইডি কার্ড চেক করা দরকার। কারণ একবার ভুল হয়ে গেলে তা সংশোধন করা অনেক ঝামেলা এবং অনেক সময় লাগে। শুধু তাই নয় কার্ডটির সংশোধন না করে, কোন কাজ করলে পরে তা সংশোধন করা আরও ঝামেলার কাজ। তাই আপনার ভোটার আইডি কার্ডটি প্রিন্ট করার আগে অবশ্যই নিজেই অনলাইনে বা কোন কম্পিউটার এর দোকান থেকে চেক করে নেয়া প্রয়োজন।
পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড কি
পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড কিঃ পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড বলতে, সেই জাতীয় পরিচয় পত্রকে বুঝায়। যেটি আগে কাগজের লেমিনেটেড আকারে দেওয়া হতো। বর্তমানে সরকার প্রত্যেক নাগরিকের জন্য স্মার্ট কার্ড দিচ্ছে। এই স্মার্ট কার্ডটিতে অনেক বেশী তথ্য দেওয়া থাকে। কিন্তু অনেকের কাছে এখনো পুরাতন কার্ডই আছে। এই কার্ডেও আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকে। যেমন নিজের নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা, ভোটার নাম্বার ইত্যাদি। তবে পুরাতন কার্ডটি চেঞ্জ করে স্মার্ট কার্ড নেওয়া ভাল।
কেন ভোটার আইডি কার্ড চেক করা প্রয়োজন
কেন ভোটার আইডি কার্ড চেক করা প্রয়োজনঃ বর্তমানে ভোটার আইডি কার্ড ছাড়া, যে কোন ধরনের কাজ করা প্রায় অসম্ভব। আর যদি কার্ডটিতে ভূল থাকে তাহলে সেই কাজটি করতে অনেক সমস্যা হয়। তাই কার্ডটি প্রিন্ট করার আগে চেক করে নেওয়া দরকার। যদি কোন ভূল থাকে তা সংশোধন করে নেয়া যায়। এই জন্য অনেক সময় আমরা নিজের আইডির তথ্য যাচাই করতে চাই। কারণ প্রথমত- সমস্ত তথ্য সঠিক আছে কিনা দেখার জন্য। দ্বিতীয়ত- নতুন স্মার্ট কার্ড হয়েছে কিনা তার জন্য। তৃতীয়ত- কোন তথ্য ভুল থাকলে তা সংশোধনের জন্য। চতুর্থত- চাকরি বা অন্য যে কোন কাজের জন্য প্রয়োজন হলে ইত্যাদি।
পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড চেক করার প্রধান তিনটি উপায়
পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড চেক করার প্রধান তিনটি উপায়ঃ অনেকেই আমরা জানিনা পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম বা কিভাবে চেক করতে হয়। পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড চেক করার বেশ কয়েকটি উপায় আছে। তার মধ্যে তিনটি (৩) ধাপ নিয়ে আমরা আলচনা করব। যেন আপনি সহজেই ঘরে বশেই কিভাবে আইডি কার্ড চেক করবেন। নিম্নে সহজ ভাষায় আলোচনা করা হল।
প্রথমত ধাপঃ অনলাইনে চেক করার নিয়ম- বর্তমানে সবচেয়ে সহজ উপায় হল, অনলাইনে আপনার আইডি চেক করা। প্রথমে আপনাকে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করা না থাকলে করতে হবে। এরপর ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াগুলো দেওয়া হল। যেমন প্রথমত- আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারে ক্রোম ব্রাউজার খুলুন।
আরও পড়ুনঃ ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার নিয়ম
দ্বিতীয়ত- এনআইডি (NID) সেবা ওয়েবসাইটে যান ( services.nidw.gov.bd)। তৃতীয়ত- রেজিস্টার (Register) বা অ্যাকউন্ট রেজিস্ট্রেশন (Account Registration) অপশনে ক্লিক করুন। চতুর্থত- আপনার তথ্য দিন- যেমন এনআইডি (NID) নাম্বার অথবা ফোন নাম্বার, জন্ম তারিখ, ঠিকানা ইত্যাদি দিয়ে সাবমিট করুন। পঞ্চমত- এরপর আপনার মোবাইলে একটি ওটিপি (OTP) কোড আসবে ভেরিফাই করুন। ছষ্ঠ- এখন আপনার একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে। একাউন্টে লগইন করলে আপনি দেখতে পারবেন। যেমন আপনার ভোটার আইডি কার্ড আর সমস্ত তথ্য, আপনার ছবি, এবং কার্ডের অবস্থা।
দ্বিতীয় ধাপঃ এসএমএস (SMS) এর মাধ্যমে চেক করার নিয়ম- যদি আপনার কাছে ইন্টারনেট না থাকে, তাহলে এসএমএস এর মাধ্যমেও কিছু তথ্য জানা যায়। যেমন প্রথমত- মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুন- এনআইডি স্পেস আপনার এনআইডি নাম্বার ( NID স্পেস NID নাম্বার)। দ্বিতীয়ত- তারপর পাঠিয়ে দিন ১০৫ নাম্বারে। তৃতীয়ত- কিছুক্ষণ পরেই আপনার মোবাইলে মেসেজের রিপ্লাই পাবেন। সেখানে আপনার এনআইডি কার্ডের কিছু তথ্য দেখাবে। তবে এই পদ্ধতিতে সমস্ত তথ্য পাওয়া যায় না, শুধু সংক্ষিপ্ত তথ্য পাওয়া যাবে।
তৃতীয় ধাপঃ নির্বাচন অফিসে গিয়ে চেক করা- যদি আপনি নিজে অনলাইনে চেক করতে না পারেন। তাহলে আপনার নিকটস্থ নির্বাচন অফিসে গিয়ে এনআইডি কার্ডের তথ্য চেক করাতে পারেন। নির্বাচন অফিসে গিয়ে চেক করাতে হলে আপনার সাথে কিছু তথ্য নিতে হবে। যেমন প্রথমত- পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড সাথে নিতে হবে। দ্বিতীয়ত- জন্ম নিবন্ধন এবং রেজিস্ট্রেশন করা মোবাইল নাম্বার ইত্যাদি। এই সব তথ্য নিয়ে, অফিসে যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আছে। তার কাছে দিলে আপনার এনআইডি কার্ডের তথ্য চেক করে দিতে পারবেন।
যদি এনআইডি নম্বর না থাকে তাহলে কিভাবে চেক করবেন
যদি এনআইডি নম্বর না থাকে তাহলে কিভাবে চেক করবেনঃ বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই গ্রামে বাস করে। তাই তারা এনআইডি কার্ডের গুরুত্ত বোঝে না। তাই অনেকেই তার পুরাতন কার্ড হারিয়ে ফেলে বা কার্ডের নম্বরও ঠিক মত জানা থাকে না। জরুরী কোন কাজের জন্য কার্ডের প্রয়োজন হয়। তখন অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। এরকম সমস্যা হলে বা পুরাতন কার্ড নাম্বার ছাড়াও যেভাবে আপনি চেক করবেন। যেমন প্রথমত- ফরম নম্বর ব্যবহার করে এনআইডি কার্ডের তথ্য পাবেন। দ্বিতীয়তঃ নির্বাচন অফিসে গিয়ে আপনার তথ্য দিয়ে খুঁজে নিতে পারেন।
স্মার্ট কার্ড হয়েছে কিনা চেক করার উপায়
স্মার্ট কার্ড হয়েছে কিনা চেক করার উপায়ঃ অনেকেই জানতে চান তাদের স্মার্ট কার্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা কিভাবে জানতে পারব। এই কাজটি আপনি খুব সহজেই চেক করতে পারবেন। এর জন্য প্রথমে আপনাকে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে লগইন করুন। দ্বিতীয়ত- এনআইডি সেবা ওয়েবসাইটে যান (services.nidw.gov.bd)।
আরও পড়ুনঃ স্মার্ট কার্ড এর ভূল সংশোধন কিভাবে করবেন
তৃতীয়ত- রেজিস্টার (Register) বা অ্যাকউন্ট রেজিস্ট্রেশন (Account Registration) অপশনে ক্লিক করুন। চতুর্থত- আপনার তথ্য দিন- যেমন এনআইডি নাম্বার অথবা ফোন নাম্বার, জন্ম তারিখ, ঠিকানা ইত্যাদি দিয়ে সাবমিট করুন। পঞ্চমত- এরপর আপনার মোবাইলে একটি ওটিপি কোড আসবে ভেরিফাই করুন। ছষ্ঠ- এর পর আপনি দেখতে পাবেন এনআইডি কার্ডের সমস্ত তথ্য। যেমন আপনার ভোটার আইডি কার্ড এর সমস্ত তথ্য সেখান থেকেই জানতে পারবেন আপনার কার্ডটি স্মার্ট কার্ড কিনা অথবা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করুন। আবার আপনি চাইলে এসএমএস এর মাধ্যমেও জানতে পারবেন।
এনআইডি কার্ড সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
এনআইডি কার্ড সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শঃ এনআইডি কার্ডের কিছু তথ্য সব সময় মনে রাখবেন। যেমন প্রথমত- কখনো নিজের এনআইডির তথ্য অপরিচিত কাউকে দেবেন না বা শেয়ার করবেন না। দ্বিতীয়ত- অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ছাড়া অন্য কোথাও তথ্য দিয়ে চেক করবেন না। তৃতীয়ত- সাইবার ক্যাফের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করলে কাজ শেষে অবশ্যই লগ আউট করতে হবে। যদি লগ আউট না করেন, তা হলে সমস্যা হতে পারে বা আপনার তথ্য অন্য কেউ নিয়ে সমস্যায় ফেলতে পারে। আপনার কার্ড যাচাই করার সময় এসব বিষয়ে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।
পুরাতন কার্ড থেকে স্মার্ট কার্ডে আপডেট কিভাবে করবেন
পুরাতন কার্ড থেকে স্মার্ট কার্ডে আপডেট কিভাবে করবেনঃ যাদের কাছে পুরাতন কার্ড আছে, বর্তমানে সরকার পুরাতন কার্ডের পরিবর্তে স্মার্ট কার্ড দিচ্ছে। আপনি যদি এখনো স্মার্ট কার্ড না পেয়ে থাকেন, তাহলে নিম্নের নিয়মগুলো ফলো করলে আপনার স্মার্ট কার্ডটি পেয়ে যাবেন। যেমন প্রথমত- আপনার এলাকার বিতরণ কেন্দ্রে খোঁজ নিন স্মার্ট কার্ড হয়েছে কিনা। দ্বিতীয়ত- অনলাইনে স্ট্যাটাস চেক করে দেখে নিন। যদি স্মার্ট কার্ড না হয়ে থাকে, তাহলে পরবর্তীতে নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করলে আপনার স্মার্ট কার্ডটি পেয়ে যাবেন।
স্মার্ট কার্ড এর ভূল সংশোধন কিভাবে করবেন
স্মার্ট কার্ড এর ভূল সংশোধন কিভাবে করবেনঃ আপনার এনআইডি কার্ডের ভুল সংশোধন দুই উপায়ে করা যায়। প্রথমত- অনলাইনের মাধ্যমে সংশোধন করতে পারবেন এবং দ্বিতীয়- অফলাইনের মাধ্যমে সংশোধন করতে পারবেন। কিভাবে সংশোধন করবেন তা দেওয়া হইল।
প্রথমত- অনলাইনে সংশোধন করতে হলে আপনাকে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (services.nidw.gov.bd) গিয়ে লগইন করতে হবে। আর প্রথম বার হলে রেজিস্ট্রেশন করে নিয়ে লগইন করতে হবে। লগইন করার পর সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য, যেমন- এসএসসি সার্টিফিকেটের কপি, পাসপোর্ট কপি যদি থাকলে, জন্ম সনদ, পিতা-মাতা, ভাই-বোন এর ভোটার আইডি কপি ইত্যাদি অনলাইনে আপলোড করতে হবে। এরপর মোবাইলে এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।
দ্বিতীয়ত- অফলাইনে সংশোধন এর জন্য আপনাকে উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিস থেকে তথ্য সংশোধনের জন্য নির্ধারিত ১৪ নাম্বার ফরম সংগ্রহ করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে যেমন- এসএসসি সার্টিফিকেটের কপি, জন্ম নিবন্ধন , পিতা-মাতা, ভাই-বোন এর ভোটার আইডি কপি ইত্যাদি। আবেদন ফরমটির সাথে সংযুক্ত করে ফরমটি জমা দিতে হবে। নির্বাচন অফিস থেকে মোবাইলে এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।
এনআইডি কার্ডের কিছু সমস্যা ও তার সমাধান
এনআইডি কার্ডের কিছু সমস্যা ও তার সমাধানঃ অনেক সময় এনআইডি কার্ড চেক করতে গেলে, কিছু সমস্যা হতে পারে এবং কিভাবে তার সমাধান বা আবার চেক করবেন তা নিম্নে দেওয়া হল। যেমন প্রথমতঃ ওটিপি (OTP) না আসলে কি করবেন- মোবাইলে বা কম্পিউটারে নেটওয়ার্ক ঠিক আছে কিনা চেক করে দেখুন অথবা অন্য নম্বর ব্যবহার করুন।
দ্বিতীয়তঃ ভুল তথ্য দেখালে কি করবেন- যদি লগইন করার পরে দেখেন যে, এনআইডি কার্ডে কিছু ভূল আছে। তাহলে অনলাইন থেকে আবেদন করে তা সংশোধন করে নিন অথবা আপনার সমস্ত তথ্য নিয়ে নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করলে তারা ঠিক করে দেবে। তৃতীয়তঃ লগইন করতে সমস্যা হলে- সঠিক তথ্য দিয়েছেন কিনা আবার ভালভাবে চেক করে নিন। তাও যদি ঠিক না হয় তাহলে পাসওয়ার্ড রিসেট করে চেক করে নিন। আপনার এনআইডি কার্ড চেক করার সময় উপরের দেওয়া সমস্যা হতে পারে। তবে উপরের দেওয়া ধাপগুলো অনুসরণ করে সমাধান করতে পারবেন।
শেষ কথাঃ পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম
পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়মঃ পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড চেক করা এখন খুবই সহজ একটি কাজ। আপনি চাইলে ঘরে বসে মোবাইল দিয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যেই আপনার কার্ডের সমস্ত তথ্য দেখে নিতে পারবেন। তবে যদি কোন সমস্যা হয় তাহলে দেরি না করে সরাসরি নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করা সবচেয়ে ভালো। সঠিক তথ্য যাচাই করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই আইডি কার্ড আপনার সমস্ত কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে।
প্রিয় পাঠক, আমার আজকের এই পোস্টটি "পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম" নিয়ে বেশ কিছু উপায় নিয়ে সহজ ভাষায় ধাপে ধাপে আপনাদের সাথে আলোচনা বা শেয়ার করলাম। যদি আমার এই পোস্টটি আপনাদের ভালো লেগে থাকে বা কোন উপকারে আসে। তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধু এবং পরিচিতদের সাথে শেয়ার করে, তাদের জানার এবং ভোটার আইডি কার্ড চেক করার সুযোগ করে দিন। পরিশেষে জানাই সব সময় সচেতন থাকুন এবং নিজের কাজ নিজে করুন।



সুপারমাষ্টার আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url