পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড থেকে স্মার্ট কার্ড কিভাবে পাবেন
পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড থেকে স্মার্ট কার্ড কিভাবে পাবেন। পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড বলতে আমরা বুঝি (লেমিনেটিং বা কাগজে) প্রিন্ট করা জাতীয় পরিচয় পত্র। পুরাতন কার্ড থেকে বর্তমানে স্মার্ট কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ হয়েছে।
বাংলাদেশ সরকার ধাপে ধাপে সকল নাগরিককে আধুনিক স্মার্ট জাতীয় পরিচয় পত্র দিচ্ছে। অনেকেই এখনো জানেন না কিভাবে পুরাতন আইডি কার্ড থেকে স্মার্ট কার্ড পাওয়া যায়। তাই এখানে খুব সহজ ভাষায় বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।
পেইজে সূচিপত্রঃ পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড থেকে স্মার্ট কার্ড কিভাবে পাবেন
- পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড থেকে স্মার্ট কার্ড কিভাবে পাবেন
- স্মার্ট কার্ড বলতে কি বুঝায়
- পুরাতন আইডি কার্ড থেকে স্মার্ট কার্ড কেন প্রয়োজন
- কারা স্মার্ট কার্ড পাবেন
- স্মার্ট কার্ড পাওয়ার উপায়
- স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
- স্মার্ট কার্ড না পেলে কি করবেন
- স্মার্ট কার্ড হারিয়ে গেলে কি করনীয়
- ভোটার আইডি কার্ডে ভুল তথ্য থাকলে কি করনীয়
- এনআইডি কার্ড নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সতর্কতা
- স্মার্ট কার্ডের কি সুবিধা
- শেষ কথা
পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড থেকে স্মার্ট কার্ড কিভাবে পাবেন
পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড থেকে স্মার্ট কার্ড কিভাবে পাবেনঃ আপনি বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে এবং আপনার বয়স যদি ১৮ বৎসর হয়। তবে আপনার ভোটার আইডি কার্ড অবশ্যই থাকতে হবে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ভোটার আইডি কার্ড ছাড়া কোন প্রয়োজনও কাজ করা সম্ভব না। আপনার যদি স্মার্ট কার্ড থাকে তবে যে কোন কাজ করা অনেক সহজ হয়।
আরও পড়ুনঃ অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম
বাংলাদেশের বেশীর ভাগ মানুষের কাছে পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড আছে। বর্তমান সরকার সব জেলাতেই ধাপে ধাপে পুরাতন কার্ড চেঞ্জ করে স্মার্ট কার্ড দিচ্ছে। স্মার্ট কার্ড থাকে তাহলে যে কোন খুব সহজেই এবং দ্রুত করা যায়। তাই আপনার কাছে যদি পুরাতন কার্ড থাকে, তাহলে স্মার্ট কার্ড নেওয়াই সব থেকে ভাল। কারণ স্মার্ট কার্ড দিয়ে নিম্নের কাজগুলো অনেক সহজেই করতে পারবেন। যেমন জমি ক্রয় বা বিক্রয়, ব্যাংক একাউন্ট খোলা, পাসপোর্ট বানানো, গাড়ি ক্রয় বা বিক্রয়, ড্রাইভিং লাইসেন্স, মোবাইল সিম কার্ড, সরকারি বা বেসরকারি যে কোন কাজের জন্য স্মার্ট কার্ড সবসময় প্রয়োজন হয়।
স্মার্ট কার্ড বলতে কি বুঝায়
স্মার্ট কার্ড বলতে কি বুঝায়ঃ বর্তমান বিশ্বের সাথে মিল রেখে স্মার্ট কার্ড তৈরি করা হয়েছে। স্মার্ট কার্ড বলতে বুঝায় আধুনিক প্রযুক্তির একটি জাতীয় পরিচয় পত্র। সেই কার্ডে একটি চিপ লাগানো থাকে এবং এই চিপে আপনার ব্যক্তিগত সমস্ত তথ্য সব সময় নিরাপদ ভাবে সংরক্ষণ করা থাকে। যেমন আপনার নাম, পিতা এবং মাতার নাম, বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা, পাসপোর্ট সিইজের ছবি, আঙ্গুলের ছাপ বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট ইত্যাদি। আমাদের দেশের প্রায় ৮০ ভাগ মানুষই পুরাতন কার্ড ব্যাবহার করে থাকে। বর্তমানে সরকার ধাপে ধাপে পুরাতন কার্ড এর বদলে স্মার্ট কার্ড দিচ্ছে।
পুরাতন আইডি কার্ড থেকে স্মার্ট কার্ড কেন প্রয়োজন
পুরাতন আইডি কার্ড থেকে স্মার্ট কার্ড কেন প্রয়োজনঃ পুরাতন আইডি কার্ড এখনও অনেক ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য থাকলেও স্মার্ট কার্ডের কিছু বাড়তি সুবিধা রয়েছে। যেমন প্রথমত- আপনার ব্যাক্তিগত তথ্য বেশি নিরাপদ থাকে। দ্বিতীয়ত- যে কোন ধরনের ডিজিটাল সেবা পেতে সহজ হয়। তৃতীয়ত- ব্যাংক আকাউন্ট, পাসপোর্ট বানানো, মোবাইল সিম রেজিস্ট্রেশন করা ইত্যাদি কাজ সহজ হয়। চতুর্থত- জালিয়াতি হয় না বললেই চলে। তাই আপনার যদি পুরাতন আইডি কার্ড থাকে, তাহলে স্মার্ট কার্ড করে নেওয়াই ভাল। এতে করে আপনার সমস্ত তথ্য নিরাপদে এবং গোপনীয়তা বজায় থাকবে।
কারা স্মার্ট কার্ড পাবেন
কারা স্মার্ট কার্ড পাবেনঃ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন অফিসের হিসাবে যাদের বয়স ১৮ বৎসর এবং ভোটার হয়েছেন। আর আগে যারা ভোটার হয়েছেন এবং পুরাতন আইডি কার্ড পেয়েছেন, তারা সবাই স্মার্ট কার্ড পাওয়ার যোগ্য। তবে শর্ত হলো প্রথমত- অবশ্যই আপনার তথ্য নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজে থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত- আপনার ছবি ও বায়োমেট্রিক তথ্য নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকতে হবে। তাহলে আপনি সহজেই স্মার্ট কার্ড পেয়ে যাবেন।
স্মার্ট কার্ড পাওয়ার উপায়
স্মার্ট কার্ড পাওয়ার উপায়ঃ যাদের পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড আছে বা যাদের পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড থেকে স্মার্ট কার্ড কিভাবে পাবেন। বাংলাদেশ সরকার ধাপে ধাপে তাদের স্মার্ট কার্ড দিচ্ছে। কিভাবে এই স্মার্ট কার্ড পাবেন, তা নিয়ে নিম্নে সহজ ভাষায় আলোচনা করা হল। এই স্মার্ট কার্ড পাওয়ার জন্য সাধারণত তিনটি উপায় রয়েছে।
প্রথম ধাপঃ নির্ধারিত কেন্দ্রে গিয়ে সংগ্রহ করা- সবচেয়ে সহজ এবং প্রধান উপায় হল। আপনার এলাকার নির্ধারিত বিতরণ কেন্দ্র থেকে এই স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করা যাবে। যেভাবে এই স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করবেন। প্রথমত- আপনার এলাকায় কখন স্মার্ট কার্ড বিতরণ হবে তা খোঁজ নিন। দ্বিতীয়ত- নির্ধারিত তারিখে কেন্দ্রে যেতে হবে। তৃতীয়ত- পুরাতন আইডি কার্ড বা স্লিপ সঙ্গে নিতে হবে। চতুর্থত- আঙ্গুলের ছাপ (ফিঙ্গার প্রিন্ট) দিয়ে স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করুন। এই নিয়মে আপনি সহজেই স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন।
দ্বিতীয় ধাপঃ অনলাইনে তথ্য চেক করে সংগ্রহ করা- আপনি ঘরে বসে খুব সহজেই জানতে পারবেন আপনার স্মার্ট কার্ড প্রস্তুত হয়েছে কিনা। এর জন্য নির্বাচন কমিশন অফিসের ওয়েবসাইট (services.nidw.gov.bd) ব্যবহার করে। কিভাবে চেক করবেন ধাপে ধাপে তা নিম্মে দেওয়া হল। প্রথমত- ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। দ্বিতীয়ত- আপনার এনআইডি নম্বর বা ফরম নম্বর দিন। তৃতীয়ত- আপনার জন্ম তারিখ দিন। চতুর্থত- ক্যাপছা পূরণ করুন। পঞ্চমত- তথ্য যাচাই করুন। এভাবে আপনি জানতে পারবেন আপনার কার্ড প্রস্তুত হয়েছে কিনা এবং প্রস্তুত হলে তা সংগ্রহ করতে পারবেন।
আরও পড়ুনঃ পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম
তৃতীয় ধাপঃ উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে সংগ্রহ- যদি নির্ধারিত সময়ে স্মার্ট কার্ড না পান। তাহলে সরাসরি উপজেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করে কার্ড সংগ্রহ করতে পারেন। এর জন্য আপনাকে যা করতে হবে। প্রথমত- উপজেলা নির্বাচন অফিসে যান। দ্বিতীয়ত- আপনার এনআইডি নম্বর দিন। তৃতীয়ত- প্রয়োজন হলে বায়োমেট্রিক যাচাই করুন। চতুর্থত- স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করুন। এই ধাপগুলো অনুসরণ করে খুব সহজেই স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন।
স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ আপনি চাইলেই যে স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন তা কিন্তু নয়। এর জন্য প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র স্মার্ট কার্ড সংগ্রহের সময় লাগতে পারে। যেমন প্রথমত- আপনার পুরাতন আইডি কার্ড সাথে নিতে হবে। দ্বিতীয়ত- আপনি যে এলাকার ভোটার তার স্লিপ নিতে হবে (যদি থাকে)। তৃতীয়- আপনার এলাকার চেয়ারম্যান বা কমিশনারের কাছ থেকে জন্ম সনদ পত্র নিতে হবে। চতুর্থত- যে মোবাইল দিয়ে রেজিস্ট্রেশান করা ঐ মোবাইল নাম্বার থাকতে হবে ইত্যাদি।
স্মার্ট কার্ড না পেলে কি করবেন
স্মার্ট কার্ড না পেলে কি করবেনঃ অনেক সময় বিভিন্ন কারণে স্মার্ট কার্ড পাওয়া যায় না। যেমন তথ্য ভুল থাকা, ছবি না থাকা বা কার্ড এখনো তৈরি হয়নি ইত্যাদি। এই সব সমস্যা হলে আপনি যা করতে কার্ড পারেন। যেমন প্রথমত- আপনার উপজেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করুন। দ্বিতীয়তঃ কোন তথ্য না থাকলে সেই সব তথ্যগুলো সংশোধন করুন। তৃতীয়ত- প্রয়োজনে নতুন করে আবেদন করুন। তাহলে আপনি কিছু দিনের মধ্যেই আপনার কার্ডটি পেয়ে যাবেন।
স্মার্ট কার্ড হারিয়ে গেলে কি করনীয়
স্মার্ট কার্ড হারিয়ে গেলে কি করনীয়ঃ অনেকেই কাজে ব্যাস্ত থাকার জন্য কার্ড কোথায় রেখেছে তা ভূলে যায় বা হারিয়ে ফেলেছে। আর যদি আপনারে স্মার্ট কার্ড হারিয়ে যায় তাহলে কি করণীয়। অনেকেই আছে যে কার্ড হারিয়ে চিন্তায় পড়ে যায়। যদি আপনার এই সমস্যা হয়, তাহলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এর জন্য যা করবেন বা নিম্নের কাজগুলো করলে সহজেই কার্ডটি পেয়ে যাবেন। যেমন প্রথমত- কার্ড হারিয়ে গেছে এর একটা জিডি থানায় করুন। দ্বিতীয়ত- ওয়েবসাইটে এনআইডির জন্য় আবেদন করুন। তৃতীয়ত- এই কাজগুলো অনুসরণ করে কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন।
ভোটার আইডি কার্ডে ভুল তথ্য থাকলে কি করনীয়
ভোটার আইডি কার্ডে ভুল তথ্য থাকলে কি করনীয়ঃ অনেকেই কম্পিউটারের দোকান থেকে কার্ড এর জন্য আবেদন করে থাকে। আবেদন করার সময় ফরম পূরণ করে ভালভাবে চেক না, করে সাবমিট করে থাকে। কার্ড হাতে পাওয়ার পর দেখা যায়, সেই কার্ডে কিছু না কিছু ভূল থাকে। যদি এই ধরনের ভুল থাকে, তাহলে যেভাবে কার্ডটি সংশোধন করবেন।
প্রথমত- নির্বাচন কমিশন অফিসের ওয়েবসাইটে (services.nidw.gov.bd) লগইন করুন। যদি প্রথমবার লগইন করে থাকেন তাহলে আগে রেজিস্টার করে নিন। দ্বিতীয়ত- লগইন করার পড়ে সংশোধনের আবেদন ফরমটি পূরণ করুন। তৃতীয়ত- প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বা প্রমাণপত্র আপলোড করুন। চতুর্থত- সরকারি নিধারিত ফি পরিশোধ করে সাবমিট করুন। এর পরই আপনার মোবাইলে ভূল সংশোধনের ম্যাসেজ আসবে এবং কিছু দিন পরে ভূল সংশোধন হলে, আরেকটা ম্যাসেজ আসবে কার্ড সংগ্রহ করার জন্য। এই ম্যাসেজ আসার পড়ে আপনি স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন।
এনআইডি কার্ড নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সতর্কতা
এনআইডি কার্ড নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সতর্কতাঃ অনেকেই ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে অবহেলা করে থাকে। এই কার্ড এর গুরুত্ব কি তা অনেকেই জানে না। তাই এই এনআইডি কার্ড নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা সতর্কতা নিয়ে আলোচনা করা হলো। যেমন প্রথমত- কখনো দালালের মাধ্যমে কার্ড সংগ্রহ করবেন না। দ্বিতীয়ত- নিজের তথ্য নিজে যাচাই করুন, অপরিচিত কাউকে দিয়ে নিজের তথ্য যাচাই না ক্রানোই ভাল। তৃতীয়ত- সরকারি ওয়েবসাইট ছাড়া অন্য কোথাও তথ্য দেবেন না। চতুর্থত- সব সময় মোবাইল নম্বর আপডেট রাখুন।
আরও পড়ুনঃ ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার নিয়ম
স্মার্ট কার্ডের কি সুবিধা
স্মার্ট কার্ডের কি সুবিধাঃ অনেকেই স্মার্ট কার্ড এর কাজ সম্পর্কে খুব বেশী জানে না। বর্তমানে স্মার্ট কার্ড ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ কোন কাজই করা সম্ভব নয়। এই স্মার্ট কার্ড ব্যবহার করে আপনি অনেক সুবিধা পাবেন। যেমন প্রথমত- এই স্মার্ট কার্ডে চিপ লাগানো থাকে, তাই দ্রুত পরিচয় যাচাই করা যায়। দ্বিতীয়ত- অনলাইনে যে কোন ধরনের সেবা গ্রহণ করা সহজ হয়। তৃতীয়ত- ব্যাংকিং সুবিধা দ্রুত পাওয়া যায়। চতুর্থত- পাসপোর্ট তৈরি করা সহজ হয়। পঞ্চমত- যে কোন ধরনের সরকারি সেবা দ্রুত পাওয়া।
শেষ কথাঃ পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড থেকে স্মার্ট কার্ড কিভাবে পাবেন
পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড থেকে স্মার্ট কার্ড কিভাবে পাবেনঃ পুরাতন আইডি কার্ড থেকে স্মার্ট কার্ড পাওয়া এখন খুব সহজ একটি প্রক্রিয়া। শুধু সঠিক তথ্য জানা এবং সঠিক জায়গায় যোগাযোগ করলেই আপনি আপনার স্মার্ট কার্ড হাতে পেয়ে যাবেন। বাংলাদেশ সরকার ধীরে ধীরে সবার হাতে এই আধুনিক কার্ড তুলে দিচ্ছে। আপনি যদি এখনও স্মার্ট কার্ড না পেয়ে থাকেন, তাহলে আজই আপনার নিকটস্থ নির্বাচন অফিস অথবা অনলাইন সেবা ব্যবহার করে খোঁজ নিন।
প্রিয় পাঠক, আমার আজকের এই পোস্টটি "পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড থেকে স্মার্ট কার্ড কিভাবে পাবেন " তার নিয়ম নিয়ে বেশ কিছু উপায় সহজ ভাষায় ধাপে ধাপে আপনাদের সাথে আলোচনা বা শেয়ার করলাম। যদি আমার এই পোস্টটি আপনাদের ভালো লেগে থাকে বা কোন উপকারে আসে। তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধু এবং পরিচিতদের সাথে শেয়ার করে। তাদের জানার এবং ভোটার আইডি কার্ড চেক করার সুযোগ করে দিন। পরিশেষে জানাই সচেতন থাকুন এবং সবসময় নিজের কাজ নিজে করুন।



সুপারমাষ্টার আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url